আমরা অনেকেই ওয়েব ডেভেলপার হতে চাই, কিন্তু জানিনা আসলে একজন দক্ষ প্রফেশনাল মানের ওয়েব ডেভেলপার হতে গেলে কি কি করতে হয়, কত সময় লাগতে পারে। এদিক ওদিক বিজ্ঞাপন দেখে আমরা স্বপ্নের মধ্যে ওয়েব ডেভেলপার হয়ে যায়। একটা জিনিস মনে রাখবেন সবার গাইড লাইন এক রকম হয়না কিন্তু তাদের গাইড লাইনের সবার ফাইনাল পর্যায় কিন্তু এক জায়গায় গিয়ে মিলে। সব শিক্ষকদের বুঝানোর ধরণ এক রকম না, আর আপনার কাছে সবার পড়ানোর ধরণ ও পছন্দ হয়না। আর একটা জিনিস মনে রাখতে হবে একজন মানুষ কখনো সব দিকে এক্সপার্ট হয়না। আসলে সব কিছু চিন্তার বিষয়। আমরা কোন কিছু করার আগে ভাবিনা, করার পরে গিয়ে হা হুতাশ করি, তবে এ কথা টা ও সত্য আপনি যদি কোন কিছুর মধ্যে না ঢোকেন আপনি বুঝবেন ও না আসলে জিনিস টা কি। সুতরাং, আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আমার কাছে মনে হয়, আসলে সময় জিনিস টা এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । সময় দেয়া ছাড়া আপনি খুব অল্প দুই এক মাসে সব বুঝে ফেলতে পারবেন না। তাই যদি বুঝতেন তাহলে এই ২০-২৫ বছর লেখাপড়া করে আজ ৫-১০ হাজার টাকার একটা চাকরি জোগাড় করতে গিয়ে কেন মাথার ঘাম……………………………………………।।

সুতরাং, আপনাকে সময় ব্যয় করতেই হবে। আর জানেন ই তো ধৈর্যের ফল মিষ্টি হয়, অর্থাৎ ধৈর্য তো ধরতেই হবে, তা ছাড়া যে উপায় নাই ভাই-বোন , বন্ধু-বান্ধবী ইত্যাদি। আমাদের মধ্যে ৯০% মানুষ ই শর্ট কাটে বড়লোক হতে চাই আর এই ৯০% এ পরবর্তী তে গিয়ে বিফল হয় বাকি ১০% সফল হয়, তাদের কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য, সেক্রিফাইস ইত্যাদির কারণে। আপনাদের মধ্যে অনেকেরই এই পর্যন্ত পড়তে এসেই ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেছে অর্থাৎ রাগ হয়ে গেছে, কিন্তু আসলে আমার তো কিছু করার নাই, মূল পয়েন্টে আসার আগে তো আমাকে এসব বলতেই হবে।

বর্তমান অনেকেই চাকরি করতেছেন তারা আবার ভাবছেন এত বসের ঝাড়ি আর ৯-৫ টা ভাল লাগেনা, ১৫-২০ বসর হয়ে গেলো এখন একটা বাইক, গাড়ি , বাড়ি কিছুই করতে পারলাম না, না পারলাম বাবা-মা, বউ, ছেলে –মেয়ের আবদার পূরণ করতে আর নিজের কথা তো বাদ-ই দিলাম। আর ঐ পাশে অমুক দেখি ফ্রীল্যান্সিং নাকি কি করে ১-২ বছরে লাখপতি হয়ে গেছে। আমি ও ফ্রীল্যান্সিং করব, আসলে সত্যি কথা বলতে কি স্বপ্ন দেখতে কোন বাধা নাই, আমাদের স্বপ্নের কখনো শেষ হয়না, আমরা প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখি দেখব, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দেখব। কে না চাই বাবা মা, বউ ,ছেলে-মেয়ে নিয়ে সুখে থাকতে , আমরা সবাই চাই, কিন্তু আসলে কি আমরা সবাই সফল হই????? কেউ হই, কেউ হইনা, এটাই যে জীবন!!!!!!!!

এই তো দুই দিন আগে ও যে সব ছাত্র ছাত্রীর কাছে যদি জিজ্ঞাসা করা হত বড় হয়ে কি হতে চাও , বলত, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, জর্জ , ব্যারিস্টার ইত্যাদি। কিন্তু আজ তারা ফেসবুক এর বিজ্ঞাপন “ঘরে বসে আয় করুন মাসে ৫০ – ১ লক্ষ টাকা মাত্র ৩ মাসের কোর্স করে” দেখে বলে যে আমি ফ্রীল্যান্সার হব। আসলে সে কিন্তু কিছুই জানেই না যে আসলে ফ্রীল্যান্সিং কি? তাদের অনেকের কাছে ফ্রীল্যান্সিং মানে কম্পিউটার এ কাজ করা, ডলার ইঙ্কাম করা।

এখন পর্যন্ত কেউ কাউকে ভালোভাবে বুঝাইতেছে ও না যে আসলে ফ্রীল্যান্সিং কি, বা নিজেরা ও ঠিক ভাবে বুঝতে চাইতেছে না যে আসলে এটা কি। একদল শুধু বলেই যাচ্ছে তিন মাসের কোর্স করুন লক্ষ লক্ষ টাকা ইঙ্কাম করুন গ্যারান্টি সহকারে। আর এক দল লোভ না সামলাতে না পেরে সেখানে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরছি, আর ভেবে নিচ্ছি ধুর সব ভুয়া, অনলাইন থেকে আবার ইঙ্কাম করা যায় নাকি, ফালতু কথা যত্ত সব।

যারা অনলাইন কোর্স করতেছে তাদের মধ্যের সবার কাছ থেকে যদি ফিড ব্যাক নেয়া হয় যে আপনারা কে কয়জন সফল বিফল বলেন, তাহলে নতুনদের মধ্যে অনেকেই পালাতেন বলতেন ধুর এইখানে সময় নষ্ট করে অন্য কাজ করি। ফিডব্যাক দেখি বা শুনি শুধু তাদেরটা যারা সফল। বুঝেছেন কি বুঝাতে চাইলাম। তবে আজ যারা এখনো সফল হতে পারিনি, তারা অনেকেই লেগে থাকছে ৬ মাস, ১ বছর, ২ বছর পর গিয়ে কিন্তু আবার সফলতার মুখ দেখছে। সুতরাং, বুঝেছেন তো এখানে কেমন সময় দিতে হয় ধৈর্য ধরতে হয়???

আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যারা আজ সফল তাদের সফলতার আগের প্রতি টা রাত, প্রতিটা দিন এর কষ্টের , পরিশ্রমের , সেক্রিফাইস এর কথা যদি আপনি শুনতেন তাহলে বুঝতেন, জীবনটা আসলেই কেমন। সফলতা কি এতটাই সোজা। যে ছেলেটা আজ সফল ফ্রীল্যান্সার সে যে রাতের পর রাত কিভাবে কষ্ট করেছে, না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিয়েছে…………। আসলে জীবনে সফল হওয়ার জন্য যে পাগল সে সফল না হওয়া পর্যন্ত স্থির হতে পারেনা।

এবার বলি আসলে ফ্রীলান্সার বা অনলাইনে কাজ করার আগে কি কি ভাবতে হবে বা জানতে হবেঃ

১. দুই-তিন মাসে ইঙ্কাম করার কথা চিন্তা বাদ দিতে হবে। আপনি ৬ মাসের মধ্যে ইঙ্কাম করতে পারেন আবার ২ বছর পর ও সফল না ও হতে পারেন। এই লাইনে আসতে গেলে আপনাকে প্রথমেই টাকা ইনকাম এর চিন্তা আগে বাদ দিতে হবে ভালোভাবে বুঝে শুনে কাজ শিখতে হবে, পরিপূর্ণ দক্ষ হয়ে উঠতে হবে, নিজের পোর্টফলিও রেডি করতে হবে। একটা মজার বিষয় বলি আজকে যারা বলে যে আমি দুই বছর হয়ে গেল এখনো কাজ পায়নি, ইনকাম করতে পারলাম না, তাদেরকে বলুন যে দেখি আপনি যে কাজ শিখেছেন তার প্রমাণ দেখান, পোর্ট ফলিও দেখান, বলবে যে তা তো নাই। এটা মনে রাখবেন আপনার স্কিল থাকলে ইনকাম আপনি করবেন ই আজ করেন আর দুই বছর পরে করেন। ধৈর্য টা এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

২. এই লাইনে আসতে গেলে আপনাকে প্রচুর খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে যেমন নিজের পরিবারের বকুনি, আশে পাশের মানুষের উলটা পালটা কথা ইত্যাদি। মাঝে মধ্যে আপনি খুবই ভেঙ্গে পড়বেন বলবেন যে ধুর আর হয়না। এমন একটা সময় আসবে আপনি ৬ মাস ভালো কাজ পাচ্ছেন কিন্তু ছয় মাস পর দেখি আর কাজ ই পাচ্ছেন না, সে সময়টাতে ও আপনার ধৈর্য ধরতে হবে। সুতরাং, শক্ত মনোবল থাকা টা এখানে খুব দরকার।

৩. প্রথম দিকে আপনাকে প্রচুর রাত জাগতে হবে কিন্তু একটা সময় ভালো একটা-দুইটা পার্মানেন্ট ক্লায়েন্ট পেয়ে গেলে আর রাত জাগা লাগতে না ও পারে। অনেকেই আছে যারা এখন শুধু মাত্র পার্মানেন্ট ক্লায়েন্ট এর কাজ করেন। সময় করে ক্লায়েন্ট এর সাথে মিটিং করে কাজ বুঝে নেই এরপর নিজের পছন্দ মত সময়ে কাজ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ জমা দেই। পার্মানেন্ট ক্লায়েন্ট কেউ ৬ মাসের মধ্যে ও পেয়ে যেতে পারে আবার অনেকে ৬ বছরের মধ্যে ও না পেতে পারেন। অনেকের আবার ভালো বিদেশী কোম্পানি তে জব হয়ে যায়, দেশে বসে বিদেশি জব কি মজা তাইনা। সব ই মজা ভাই, কিন্তু এগুলো কি এত তাড়াতাড়ি দুই-তিন মাস এক বছরে সম্ভব বলেন।

৪. অনেক জায়গায় দেখেন কোর্স শেষে ইঙ্কাম না করতে পারলে টাকা ফেরত। উপরের আলোচনা থেকে কি বুঝতে পেরেছেন আসলে বিষয়টা কি?

৫. আপনি ৬ মাস ১ বছরের মধ্যেই সব বুঝে ফেলতে পারবেন না, আপনাকে আবার ও বলছি আজকে যারা ৫ বছর বা ১৫ বছর ধরে কাজ করতেছে আপনি যদি মনে করেন আপনি দুই বছরে তাদের মত হয়ে যাবেন, এটা কি আসলে সম্ভব?

৬. আপনাকে সারা পৃথিবীর দক্ষ মানুষের সাথে প্রতিযোগিতা করে কাজ পেতে হবে, ভয় পেয়েন না, আপনার স্কিল থাকলে আপনি ও আস্তে আস্তে সব পারবেন। প্রথম দিকে অনেক কষ্ট হবে কয়েক বছর পর আপনি ও সিনিয়র হয়ে যাবেন, লেগে থাকতে হবে আর কি।

৭. কখনো কারোর মত হইতে চাইবেন না, কারণ কেউ কারোর মত হতে পারেনা। আপনি এটা পারেন কাউকে ফলো করতে। আপনাকে ভালো কিছু করতে হলে অবশ্যই কাউকে ফলো করতে হবে। নিজেকে এমন ভাবে তৈরি করার চেষ্টা করুন, যেন একদিন অন্যরা আপনাকে ফলো করে।

৮. অনলাইনে কাজ করতে গেলে আপনাকে ইংলিশ জানতে হবে কমপক্ষে কারোর সাথে ইংলিশ এ কথা বলার মত , চ্যাট করার মত। প্রথমে অনেক সমস্যা হয় বা হবে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়। সুতরাং, সারাজীবন পরীক্ষার সময় ইংলিশ ফাঁকি দিয়ে এসেছেন এখন কি করবেন বলেন? বিদেশিরা তো আর বাংলায় কথা বলবে না।

৯. আপনাকে ইংলিশ টিউটোরিয়াল দেখার অভ্যাস করতে হবে। একজনের ভিডিও দেখে হয়না, আপনাকে প্রয়জনে অনেকের ভিডিও দেখতে হবে, কারণ একজন সব কিছু জানলে ও সব শেখাতে বা ভিডিও দিতে পারেনা। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

১০. আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই গুগল ও ইউটিউবে সার্চ করা শিখতে হবে।

১১. ক্লিক করে, ভিডিও দেখে, রেফার করে ১০ মিনিটে ১০০ ডলার এই সব ভিডিও দেখা বাদ দেন। এই সব বিজ্ঞাপন দেখে সময় নষ্ট কইরেন না।

১২. আপনি যদি অনলাইন মার্কেট প্লেস থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে এটাকে পার্ট টাইম কোন জব মনে করলে হবে না। আমাকে অনেকেই বলে ভাই, আমি যদি প্রতিদিন ৩-৪ ঘন্টা দেই তাহলে হবে? আমার বেশি না ৪-৫ হাজার টাকা ইনকাম হলে হবে। আমি তাদেরকে বলি আপনি ১ মাস এই অনলাইন জগত নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন এরপর নিজেই বুঝবেন কত সময় দেয়া লাগবে আপনার, কারণ আপনার মাথা আর আমার মাথা এক না ভাই। আর একটা কথা এখানে সবাই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করার আশায় আসে, ৪-৫ হাজার ইনকাম করার জন্য অন্য কোথা ও চেষ্টা করেন, এই সেক্টরে না।

১৩. প্রতিদিন রাত জেগে কাজ না শিখে মুভি, নাটক দেখে সময় নষ্ট করলে কিছুই হবে না।

১৪. যারা এক দুই বছর ধরে চেষ্টা করে ও আজ ও এক টাকা ও ইনকাম করতে পারেন নি, তারা অন্য কিছু করার চেষ্টা করুন, তারপর সময় পেলে এটা নিয়ে ভাবুন। মনে রাখবেন, ভার্সিটি তে আমরা সবাই পড়তে চাই, অনেক কষ্ট ও করি, কিন্ত চান্স পাই কয়জন। সব কিছু বুঝার জন্য উদাহরণ আশে পাশেই আছে, কিন্তু আমাদের মাথায় আসে না, এই আর কি।

১৫. অনেকেই আছেন ভালো কাজ জানেন, পোর্টফলিও আছে কিন্তু অনলাইন এ সাকসেস হতে পারছেন না, লোকাল মার্কেট প্লেস বা বিভিন্ন আইটি ফার্মে চেষ্টা করেন, পারফর্মেন্স ভালো হলে আমাদের দেশেই অনেক ভালো কোম্পানি আছে, ভালো স্যালারি ও পাবেন।

১৬. কোন কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে সেটা নিয়ে কয়েক দিন গবেষণা করুন এর জন্য ইউটিউব এবং গুগল এর থেকে ভালো উত্তর আপনাকে কেউ দিতে পারবেনা। ভাবছেন, ওয়েব ডিজাইনার হবেন, গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবেন ইত্যাদি তাহলে আগে সে সম্পর্কে ইউটিউব এবং গুগল করেন তারপর কোন সেমিনারে যান। তা না হলে, আমরা আসলে অনেক সময় কোন সেমিনারে গেলেই তাদের কথা শুনেই ডিছিশন নিয়ে ফেলি, এটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। বিষয়টা অনেক টা এ রকম আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন সেমিনারে যান আপনার মনে হবে ওয়েব ডিজাইন শিখব। তার একদিন পর গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সেমিনারে গেলে, তখন আবার মনে হবে, না ওয়েব থেকে গ্রাফিক্স ভালো। এই সব আর কি। সুতরাং, বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানুন, নিজেকে প্রশ্ন করুন আসলে আপনার ভালো লাগছে কোনটা করতে, মজা পাচ্ছেন কোন কাজ করতে আপনি সেটাকেই বেছে নিয়ে সামনের দিকে এগোন ।

১৭. কোথাও ভর্তি হওয়ার আগে তাদের কোন ফ্রি ক্লাস কিংবা ইউটিউব এ অনেক প্রতিষ্ঠানের ভিডিও থাকে সেগুলো দেখুন তারপর চিন্তা ভাবনা করে যেখানে ভালো লাগে সেখানে যান। এখন তো অনেক সুবিধা, অনলাইনে ঘরে বসেই কোর্স করা যায়। কিন্তু মাথায় রাখবেন এক সাথে অনেক কিছু করতে গেলে কিন্তু একটা ও ভালো ভাবে হবে না। একটা একটা করে স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন।

১৮. যেকোন কিছু শেখার পিছনে সময় ব্যয় করতে হবে, এমন ও অনেক রাত দিন কাটবে যে এক সেকেন্ডের কাজের জন্য সারা রাত কেটে যাচ্ছে, তারপর ও সমাধান পাচ্ছেন না। সুতরাং , এসব আপনাকে মানতেই হবে।

১৯. সব কিছুর মধ্যে নিজের শরীরের প্রতি ও খেয়াল রাখতে হবে। অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তখন কিন্তু কাজ করতে পারবেন না।

২০. আর মাঝে মধ্যে সময় ব্যয় করে আমার মত বাজে লেখা গুলো পড়তে হবে। আর লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে অন্যদেরকে ও এসব বিষয় জানার সুযোগ করে দিতে হবে।

অসংখ্য ধন্যবাদ সবাই কে। আশা করি, এখন নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারবেন, আসলে আপনার দ্বারা কোনটা সম্ভব বলে আপনি মনে করেন। সব কিছুই সহজ যখন আপনি সেটা শিখে যাবেন। কিন্তু সব কিছুই কঠিন যতক্ষণ না আপনি সেটা শিখতে পারছেন।

লিখেছেন,
আরিফুল ফুরকান
সিইও, এবিসি আইটি পার্ক

Facebook Comments

Pin It on Pinterest

পোস্টটি ভালো লেগেছে?

তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনঃ

0